যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। ১৭ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার তিনি উদ্যোগটিকে ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। ট্রাম্পের মতে, তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা তাদের যৌথ নিরাপত্তা সক্ষমতাকে আরও কার্যকর ও অর্থবহভাবে বাড়াতে সহায়তা করবে।
গত ৭ আগস্ট মক্কায় তিন দেশের নেতারা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে সামরিক সমঝোতায় সই করেন। এর মূল নীতি হলো, সদস্য একটি দেশের ওপর হামলাকে তিন দেশের সবার বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে বিবেচনা করা। চুক্তির অধীনে রাজনৈতিক ও সামরিক সমন্বয় জোরদার করা হবে এবং স্থল, নৌ, আকাশ ও সাইবার ক্ষেত্রে যৌথ মহড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতেও সহযোগিতার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে চুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা, তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তির সমন্বয়ে নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে উঠতে পারে। তুরস্ক জানিয়েছে, এটি বিদ্যমান কোনো সামরিক জোটের বিকল্প নয়; ভবিষ্যতে আরও দেশ যুক্ত হওয়ার আলোচনাও চলছে।