ঝিনাইদহ সদর উপজেলার জিকে সেচ খালের ওপর সেতুটি ২০২৫ সালের জুন মাসে প্রবল বর্ষণে ভেঙে পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৪৫ বছর আগে নির্মিত এই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে নড়বড়ে অবস্থায় ছিল। ভাঙনের পর গত নয় মাস ধরে ৩৭ গ্রামের প্রায় অর্ধলাখ মানুষ স্থানীয়ভাবে তৈরি করা বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইটভাটার ট্রাক চলাচলের কারণেই সেতুটি ভেঙে পড়ে।
ভবানীপুর–ডেফলবাড়ী এলাকার এই সেতুটি কুমড়াবাড়িয়া ও মহারাজপুর ইউনিয়নের সংযোগকারী একমাত্র সড়কের অংশ, যা ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাঁশের সাঁকোটিও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে, ফলে অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও কৃষিপণ্য পরিবহনকারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, ভেঙে পড়া সেতুটি পুনর্নির্মাণের জন্য দুটি প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং অনুমোদন পেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।