বাংলাদেশ সরকার বঙ্গোপসাগরের জলসীমায় ৫৮ দিনের জন্য মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। এতে ভোলার সাত উপজেলার প্রায় ৬৪ হাজার নিবন্ধিত জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মাছের প্রজনন মৌসুমে মৎস্যসম্পদ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় প্রতিটি জেলে মাসে ৪০ কেজি হারে মোট ৭৭ কেজি চাল পাবেন।
জেলা মৎস্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলেরা ধীরে ধীরে সাগর থেকে ঘাটে ফিরছেন এবং তারা পৌঁছানোর পর চাল বিতরণ শুরু হবে। কিছু জেলে অভিযোগ করেছেন, আগের বছরগুলোতে চাল বিতরণে অনিয়ম ও বিলম্ব হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চাল ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদে পৌঁছেছে এবং সঠিক সময়ে বিতরণ নিশ্চিত করা হবে। বরফকল ও তেল বিক্রেতাদের ট্রলারে সরবরাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জানান, চাল বিতরণে অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এনজিওগুলোকে অনুরোধ করা হবে যেন দুই মাসের জন্য জেলেদের কিস্তি বন্ধ রাখা হয়।