গত বছরের জুলাইয়ে ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাইলটের প্রশিক্ষণের ঘাটতি ও পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাবকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকারি তদন্ত কমিশন। সাবেক সচিব এ কে এম জাফর উল্লা খানকে প্রধান করে নয় সদস্যের এই কমিশন তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। দুর্ঘটনায় ২৮ শিশু, পাইলট, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকসহ মোট ৩৬ জন নিহত হন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলামের অনিয়মিত উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ ও গ্রাউন্ড সুপারভাইজারের যথাযথ তত্ত্বাবধানের অভাবে তিনি সংকটময় অবস্থায় কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেননি। কারিগরি ত্রুটি না থাকলেও বিমানটি ক্রিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল অব অ্যাটাক অতিক্রম করে স্টলড অবস্থায় চলে যায়। বিমানের উইন্ডশিল্ডে পাখি বা অন্য কোনো উড্ডীয়মান বস্তুর আঘাতও দুর্ঘটনায় ভূমিকা রাখতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিবেদনটি নিয়ে আলোচনা করে এবং সুপারিশ বাস্তবায়নে কয়েকটি মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়, যদিও পূর্ণ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়নি।