বিশ্লেষণধর্মী এক নিবন্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মালিক ও উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বর্ণগত বিভাজন, ইসলামবিদ্বেষ এবং উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিকে শক্তিশালী করার অভিযোগ আনা হয়েছে। ৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্য ইকোনমিস্টের প্রধান সম্পাদক জ্যানি মিন্টন বেডোসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসলাম ও মুসলিমদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মাস্ক ধর্ষণ, হত্যা, পশ্চিমা মূল্যবোধের বিরোধিতা এবং আইন চাপিয়ে দেওয়ার মতো প্রসঙ্গ তোলেন।
সমালোচকদের দাবি, এসব বক্তব্য উগ্র ডানপন্থী গোষ্ঠীর প্রচারিত ইসলামবিদ্বেষী ভাষ্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ এবং মুসলিমদের একটি অভিন্ন, সহিংস গোষ্ঠী হিসেবে উপস্থাপন করে। নিবন্ধে আরও বলা হয়, মাস্ক নিজেকে বর্ণবাদী হিসেবে অস্বীকার করলেও তার রাজনৈতিক অবস্থান ও এক্সে কার্যক্রম ভিন্ন ইঙ্গিত দেয়। তিনি ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ ও ‘হোয়াইট জেনোসাইড’ নিয়ে পোস্ট করেছেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মাস্ক এ ধরনের বিষয় নিয়ে প্রায় প্রতিদিন পোস্ট করেছেন এবং ‘শ্বেতাঙ্গরা দ্রুত সংখ্যালঘুতে পরিণত হচ্ছে’ শীর্ষক তার একটি পোস্ট কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছায়। নিবন্ধে ট্রাম্পের প্রচারণায় আর্থিক সহায়তা, ফ্রান্সের ন্যাশনাল র্যালি ও জার্মানির এএফডিসহ ডানপন্থী শক্তিকে সমর্থন এবং উগ্র ডানপন্থী কর্মীদের অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।