ইয়েমেনের সংঘাত কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই সৌদি আরব ও আনসারুল্লাহ হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ২৬ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হুতিরা সৌদি আরবের ইয়ানবু ও জিজান শহর লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলার কথা জানিয়েছে। গোষ্ঠীটির দাবি, তারা একাধিক তেল স্থাপনায় ১২টির বেশি ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইয়েমেনে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছে।
হুতিরা তাদের অভিযানকে সম্পূর্ণ সফল বলে দাবি করে বলেছে, নির্ধারিত সব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, হুতিদের ছোড়া সব হামলা আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে। হোদাইদাহ প্রদেশ ও লোহিতসাগরের কৌশলগত কামারান দ্বীপে সৌদি হামলার এক দিনের মাথায় হুতিদের এই পাল্টা হামলার দাবি আসে। সৌদি আরবের ভাষ্য অনুযায়ী, কামারানে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল।
জাতিসংঘের ইয়েমেনবিষয়ক বিশেষ দূত ও ওমানের কর্মকর্তারা উভয় পক্ষকে দ্রুত আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা শান্তি বৈঠককে সামনে রেখে জাতিসংঘ, সৌদি আরব ও হুতিদের কয়েকজন শীর্ষ প্রতিনিধি ওমানে রয়েছেন। কূটনীতিকদের মতে, আলোচনা শুরুর আগে হামলা বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম। হুতিরা সানা বিমানবন্দর ও হোদাইদাহ বন্দরের অবরোধ না উঠলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।