জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির ব্যয় বাড়া এবং ডলারের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারে ডলারের দর আবার বেড়েছে। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মে মাসে ব্যাংকগুলো ১২২ টাকা ৪৫ পয়সায় ডলার কিনলেও বর্তমানে কিছু ব্যাংক ১২৩ টাকা ৯০-৯৫ পয়সা পর্যন্ত দরে কিনছে; বাজারদর প্রায় ১২৪ টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর জন্য ডলারের দর বেঁধে দিয়েছে।
ব্যাংকারদের মতে, জ্বালানি আমদানির জন্য সরকারি পর্যায়ে এলসি খোলা বেড়েছে, ফলে অতিরিক্ত ডলারের চাহিদা তৈরি হয়েছে। গত দুই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার কমেছে, রপ্তানি আয়ও কমেছে; কিন্তু আমদানি ব্যয় মোটামুটি আগের পর্যায়েই রয়েছে। জুনে রেমিট্যান্স ছিল ২ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার এবং জুলাইয়ে ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, বিপিসি, বিপিডিবি ও সার আমদানিতে মাসিক ব্যয় প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ৪ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার ছিল। সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির বদলে বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দুই থেকে তিন টাকা অবমূল্যায়নের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন।