চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সোমবার সকালে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও মো. ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় প্রতিনিধি ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা অভিযোগ করেন, মাদক কারবারিদের অর্থ নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং থানায় কথিত অর্থ লেনদেনকারী ব্যক্তি রয়েছে। পুলিশ এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহরাম আলী বলেন, গ্রেপ্তারের পর অনেক সময় মাদক কারবারিদের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চিকিৎসক কমল কদরও মাদক কারবারিদের কথিত আর্থিক লেনদেনের দাবি উল্লেখ করেন। তবে সভায় এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো দাপ্তরিক প্রমাণ বা নথি উপস্থাপন করা হয়নি। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, থানায় কোনো তথাকথিত ‘ক্যাশিয়ার’ বা অর্থ সংগ্রাহক নেই এবং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ নিরপেক্ষ ও কঠোরভাবে কাজ করছে।
সভায় সারবোঝাই ট্রাকের কাগজ পরীক্ষা করতে গিয়ে জাতীয় কৃষি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মো. আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ও উঠে আসে। পুলিশ জানায়, বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও চলাচলে বাধা দেওয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি, অবৈধ বালু উত্তোলন, সলিমপুরে ডাকাতি ও চুরির ঘটনায় উদ্বেগ জানানো হয়। ইউএনও বলেন, অনুপস্থিতি চললে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হবে।