রাজধানীর কদমতলীতে কিশোর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক ইমন কাজীকে হত্যা ও মরদেহ গুমের মামলায় মো. আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরীর আদালত ১২ কার্যদিবসে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করে রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আল-আমিনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় পৃথকভাবে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে এবং আগে কারাভোগের সময় মূল সাজা থেকে বাদ যাবে।
২০২৩ সালের ৩০ মে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ইমন। ৩ জুন পশ্চিম মোহাম্মদবাগের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি, হাত-পা বাঁধা ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে পুলিশ জানায়, পারিবারিক পরকীয়ার সন্দেহ ও ধার দেওয়া ৫ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। ৫ জুন বরিশালের হিজলা থেকে গ্রেপ্তার আল-আমিন পরে ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।