রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) বিভিন্ন আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের হল ফি ও সংশ্লিষ্ট খাতে ৭২ লাখ টাকার বেশি বকেয়া জমেছে, যা প্রশাসনের জন্য আর্থিক চাপ তৈরি করেছে। সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক হলে প্রায় ৩০ লাখ টাকা, এরপর শহীদ লে. সেলিম হলে ১৩ লাখ, শহীদ আব্দুল হামিদ হলে ১১ লাখ ৭০ হাজার এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলে ১১ লাখ টাকা। অন্যান্য হলে তুলনামূলক কম বকেয়া রয়েছে, তবে ছাত্রী হল-১-এ কোনো বকেয়া নেই।
রুয়েটের ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার জানান, সব হলে নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং কিছু শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে বকেয়া পরিশোধ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করছে, যা আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে। এতে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, হল কুপন ও ফি পরিশোধ একত্রে সম্পন্ন করা যাবে।
প্রশাসনের মতে, ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হলে বকেয়া আদায় সহজ হবে এবং তিন মাসের বেশি বকেয়া রাখলে সিট বাতিলের নীতিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এতে ভবিষ্যতে বকেয়া কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।