কুমিল্লা ও কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে দুই কিশোর গ্যাংয়ের চার শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। কুমিল্লায় ১০ দিন ধরে চলা কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৫ জন সন্দেহভাজন কিশোরকে আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তার চারজন হলেন ‘র’ গ্যাংয়ের ইমরান হোসেন রতন ও সাইফুল ইসলাম এবং ক্রাইম সেটআপের মো. সাব্বির ওরফে পয়েন্ট সাব্বির ও রবিউল ইসলাম নবী ওরফে কিং মেকার।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ‘র’ গ্যাংয়ের শীর্ষ নেতা হিসেবে বর্ণিত রতনের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাই ও মাদকসহ ৯টি মামলা রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক ধারায় ১০টি মামলা রয়েছে। পয়েন্ট সাব্বির ও কিং মেকার নবীর বিরুদ্ধে একটি করে মামলা রয়েছে। লাগাতার অভিযানের মুখে বিভিন্ন সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা আত্মগোপনে গেলে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার পর কিশোর গ্যাং নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়। পুলিশ বলেছে, ওই হত্যায় জড়িত দুই কিশোরের সঙ্গে গ্যাং কালচারের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাইয়ে অপরাধে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় অনেক আটক কিশোরকে লিখিত মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে; অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।