কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কুমিল্লার খামারগুলোতে ব্যস্ত সময় চলছে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার কুমিল্লায় মোট ২ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫২টি পশু প্রস্তুত রয়েছে, যা জেলার চাহিদা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৬টির চেয়ে প্রায় ১২ হাজার ৩০০ বেশি। ভারতীয় গরু প্রবেশ বন্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ও সীমান্তে নজরদারি জোরদার হওয়ায় খামারিরা ন্যায্যমূল্যের আশায় আছেন। বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় পশু দিয়েই কুমিল্লা ও আশপাশের জেলার চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে।
খামারিরা প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণ করছেন এবং দেশি জাতের পাশাপাশি ব্রাহমা, ফ্রিজিয়ান ও শাহিওয়াল জাতের গরুও বাজারে উঠবে। অনেক খামারি এক লাখ থেকে ২০ লাখ টাকারও বেশি বিনিয়োগ করেছেন। তবে মহাসড়কে ডাকাতি ও চাঁদাবাজির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৪৩০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট বসবে এবং নিরাপত্তা ও জালটাকা প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজিবি, পুলিশ ও জেলা প্রশাসন সীমান্তের ১০৬ কিলোমিটার এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে। মহাসড়কে বিশেষ করে রাতে অতিরিক্ত পুলিশ টহল দেবে যাতে পশুবাহী ট্রাক নিরাপদে চলাচল করতে পারে।