পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে ১১ বছর বয়সি এক মুসলিম ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। পুলিশ আনন্দ সর্দার, প্রভাস মণ্ডল ও দিবাকর সর্দার নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের বিলম্বিত তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক সিদ্ধনাথ গুপ্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের পর নির্মমভাবে হত্যা করে রেললাইনের পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। ময়নাতদন্তে মাথায় আঘাত, শরীরে আঁচড় ও কামড়ের দাগ পাওয়া গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, পানিতে ফেলার সময় সে জীবিত ছিল। নিহতের মা দ্রুত বিচার ও অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হলে প্রশাসন সতর্ক অবস্থান নেয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, তবে বিক্ষোভকারীদের আইন হাতে না নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘটনাস্থলে যেতে না দেওয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।