ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে বিরোধী দলগুলো ও তরুণদের একটি অংশ। আন্দোলনের মূল প্রশ্ন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি। ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ের সমাবেশে ওঠা ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো’ স্লোগানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচিতেও ব্যবহৃত হচ্ছে। ইন্ডিয়া জোটের দলগুলো কুমারের পদত্যাগ দাবি করেছে।
২৩ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর বিতর্ক বাড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীর আপত্তি সত্ত্বেও কুমার কয়েকটি এসআইআর-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিরোধীদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতবিনিময় ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা সর্বসম্মতির নিয়ম মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
৬ অক্টোবর দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাতের দাবিতে অবস্থানে অংশ নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁকে ও কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। কমিশন জানিয়েছে, স্মারকলিপি নিতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তবে বিক্ষোভকারীরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতে অনড় ছিলেন। সংশোধিত ফর্ম-৬ অনুমোদন নিয়ে কমিশনের বক্তব্যের পরও নতুন প্রশ্ন ওঠে, যখন প্রধান বিচারপতি বলেন সুপ্রিম কোর্ট এটি অনুমোদন করেনি।