বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে নৃশংস হত্যা, ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন, গণপিটুনি ও পারিবারিক সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, মাদকাসক্তি ও অনলাইন বিদ্বেষমূলক কনটেন্ট মানুষের মধ্যে সহিংস প্রবণতা বাড়াচ্ছে। রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারের হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৬৩২ নারী খুন ও ৭৮৬ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫৪৩ জন শিশু। ২০২৬ সালের প্রথম দিকেও শতাধিক হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সদস্যরাও হামলার শিকার হচ্ছেন। অনেক ভুক্তভোগী পরিবার আসামির হুমকি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মামলা করতে ভয় পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন, পুলিশের মনোবল পুনরুদ্ধার, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতকরণ এবং কমিউনিটি পুলিশিং শক্তিশালী করা জরুরি। এতে সামাজিক আস্থা ফিরবে এবং সহিংসতা কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।