অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি) জানিয়েছে, বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে ১১ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে প্রক্সি ভোটের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। শনিবার ঢাকার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি এই তথ্য জানায়। এএফইডি জানায়, অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হলেও কিছু অনিয়ম ঘটে, যার মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট শেষ হওয়ার আগেই ব্যালট গণনা শুরু হয়।
সংস্থার মুখপাত্র হারুন-অর-রশিদ বলেন, প্রায় ১২ শতাংশ কেন্দ্রে ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি এবং একটি কেন্দ্রে শারীরিক ভয় প্রদর্শনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। প্রায় ৪৭ শতাংশ কেন্দ্রে প্রচারের সামগ্রী দেখা গেছে, যা আচরণবিধি লঙ্ঘন। ১২টি কেন্দ্রে অনুমোদনহীন ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা এবং ১৫টি ক্ষেত্রে ভোটারদের ভোট প্রদানে নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রায় অর্ধেক কেন্দ্রে ভোটারদের দলবদ্ধভাবে একই যানবাহনে আনার ঘটনাও দেখা গেছে।
এএফইডি জানায়, ভোটার উপস্থিতি ৩১ থেকে ৬৪ শতাংশের মধ্যে ছিল এবং অনেক কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় ভোটার অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সংস্থাটি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ জোরদার, আচরণবিধি কঠোরভাবে মানা এবং ডাকযোগে ভোটের পরিধি বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।