বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের প্রায় দেড় মাস পর বাংলাদেশ জটিল এক পররাষ্ট্রনীতির পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যার পটভূমিতে রয়েছে ইরান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট। প্রধানমন্ত্রী’র পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সফর করছেন সম্পর্ক জোরদার ও প্রবাসী শ্রমিকদের খোঁজ নিতে, আর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আগামী সপ্তাহে ভারত সফরের কথা রয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ কূটনীতিক ঢাকা সফর করেন, যা বাংলাদেশের ব্যস্ত কূটনৈতিক সময়সূচি নির্দেশ করে।
সরকার বলছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতি নির্দিষ্ট কোনো দেশকে ঘিরে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। তবে ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রথম বিবৃতি নিয়ে ইরানের সমালোচনা দেখা গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত ও রাশিয়ার মতো শক্তিধর দেশগুলোর স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। তিস্তা প্রকল্পের মতো ইস্যুতে দ্বন্দ্বপূর্ণ স্বার্থের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিলম্বিত হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণই হবে নীতিনির্ধারণের মূল ভিত্তি, যদিও বড় শক্তিগুলো নিজেদের কৌশলগত স্বার্থে চাপ সৃষ্টি করছে।