আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে নির্ণায়ক অবদান এবং মহাজাগতিক উৎসের উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন। নোবেল কমিটি মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তাঁর নাম ঘোষণা করে। দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস তাঁকে পুরস্কারে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং সংস্থাটির মহাসচিব ফোনে তাঁকে এ সম্মাননার খবর জানান।
ফ্রান্সিস হ্যালজেন প্রথম উপলব্ধি করেছিলেন যে অ্যান্টার্কটিকার বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো নামে পরিচিত কণার গতিপথ শনাক্ত করা সম্ভব। নোবেল কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত উচ্চ-শক্তির মহাজাগতিক নিউট্রিনো খুবই বিরল। ফলে পর্যাপ্ত সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণের জন্য বিপুল আয়তনের বরফ দরকার হয়।
হ্যালজেনের গবেষণার আইসকিউব এক ঘনকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এর নির্মাণকাজ ২০১১ সালে শেষ হয়। উৎসের তথ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে মহাবিশ্বে নিউট্রিনোর উৎস অনুসন্ধান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।