প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের নির্মাণ শেষ হলে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি যোগ হতে পারে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের আয়োজিত ‘পদ্মা ব্যারেজ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
তিতুমীরের মতে, প্রকল্পে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ সম্ভব হবে, যা কৃষি ও সেচের পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা যাবে। এখান থেকে আনুমানিক ১১৩ মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে। নদীতীরবর্তী এলাকায় টেকসই নগরায়ণের অংশ হিসেবে সাতটি আধুনিক টাউনশিপ গড়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
শুষ্ক মৌসুমে হিসনা, মাথাভাঙ্গা, গড়াই, মধুমতি, চন্দনা, বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতি নদীর প্রবাহ বজায় রাখতে উদ্যোগটি নেওয়া হচ্ছে। এতে সাত অঞ্চলের প্রায় ৪৬ দশমিক ৯ লাখ হেক্টর কৃষিজমিতে নিয়মিত সেচ নিশ্চিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রথম ধাপ ২০২৯ সালের মধ্যে এবং পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প ২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।