২০২৬ সালের ৩ জুন ‘আমার দেশ’-এর ‘হ্যালো ডাক্তার’ বিভাগে অধ্যাপক ডা. এম ফখরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে কিডনি ও মূত্রনালির রোগ শনাক্তের হার দ্রুত বাড়ছে। তিনি জানান, আধুনিক ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তির কারণে রোগ শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে, যদিও প্রকৃত রোগীর সংখ্যা ততটা বাড়েনি। তবে টিনএজারদের মধ্যে কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ডা. ইসলাম বলেন, টিনএজারদের কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম কারণ হলো জাঙ্ক ফুড, যা শরীরে মেটাবলিক পরিবর্তন ঘটিয়ে ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়। শহরমুখী জীবনযাত্রা ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব তরুণদের স্থূলতা ও মেটাবলিক সমস্যায় ফেলছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত শ্রমিকদের পানিশূন্যতাও কিডনিতে পাথর গঠনের ঝুঁকি বাড়ায়।
তিনি আরও জানান, লেজার প্রযুক্তি ছোট পাথর ভাঙতে নিরাপদ ও কার্যকর, আর বড় পাথরের ক্ষেত্রে আল্ট্রাসনিক ডিভাইস বেশি কার্যকর। শিশুদের ইউরোলজিক্যাল সমস্যা দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা করা জরুরি, না হলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।