যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের এক সপ্তাহ আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বেইজিং সফর করেছেন। বিশ্লেষকেরা এই সফরকে মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক শক্তির কূটনৈতিক সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন। চীনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরাগচি তার চীনা সমকক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন, যা যুদ্ধ শুরুর পর দুই মিত্র দেশের শীর্ষ কূটনীতিকদের প্রথম সরাসরি বৈঠক। ইরান এই সফরকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে ইরানের অন্যতম অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দেশটি ইরানি তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে যাতে তারা ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে প্রভাবিত করে এবং ইরানি তেল কেনা চীনা রিফাইনারিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বেইজিং জানিয়েছে, তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানতে বাধ্য নয়। বৈঠকের পর আরাগচি বলেন, চীন ও ইরানের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং চীন তেহরানের আন্তরিক বন্ধু হিসেবে কাজ করছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্পের চীন সফর ১৪–১৫ মে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই কূটনৈতিক তৎপরতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক আলোচনায় নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।