বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৭৯ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) জানিয়েছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সনদ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শুনানি চলছে। এর আগে ৬ হাজার ৪৭৬ জনের সনদ বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ১১১ জনের বয়সজনিত অসঙ্গতি এবং ৭১ জনের জালিয়াতি প্রমাণিত হয়েছে। সাবেক সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামানের ভুয়া সনদ প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে, যদিও স্বাভাবিকভাবে তা কমার কথা ছিল। ১৯৮৬ সালে প্রথম তালিকায় ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৪৫৮ জন, যা পরবর্তী সরকারগুলোর সময়ে বেড়ে প্রায় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৮৯ জনে পৌঁছেছে। জামুকা জানায়, অনেক আবেদনকারী নিজেদের শরণার্থী মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেছেন এবং কেউ কেউ ভুয়া ছবি সংযুক্ত করেছেন। সরকার জানিয়েছে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা যেন বাদ না পড়েন, সে বিষয়ে সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকার তদন্ত দ্রুত শেষ করে গণশুনানির মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে।