ব্রেক্সিট-পরবর্তী নীতিগত স্বাধীনতা কাজে লাগিয়ে যুক্তরাজ্য জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইউক্রেন ও ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ, সরবরাহ ও পরিশোধন কার্যক্রমে বিঘ্ন এবং তেলের দাম বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ বেড়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে থেকে যুক্তরাজ্য জি-৭ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে পারে।
যুক্তরাজ্যে ডিজেলের গড় দাম লিটারপ্রতি ২০০ দশমিক ০১ পেনি এবং পেট্রলের দাম ১৭৪ দশমিক ৭১ পেনিতে পৌঁছেছে। মার্চে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১১ দশমিক ৫৪ ডলারে ওঠে। দেশটির ডিজেল মজুত দিয়ে প্রায় ৪২ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। ১৯৮০-এর দশকের ১৮টি শোধনাগারের তুলনায় এখন চালু আছে মাত্র চারটি। যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের ডিজেল আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সরবরাহ করে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সমন্বয়ে জি-৭ দেশগুলো চার মাসে জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেক্সিট নিজে থেকে সংকটের সমাধান নয়; সীমিত মজুত, কম শোধন সক্ষমতা ও আমদানিনির্ভরতা কাটাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, কার্যকর নীতি এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা প্রয়োজন।