চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে নয় শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আইনি ও আদালত অবমাননার নোটিস দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি, বেলা। রোববার বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও প্রধান সমন্বয়কারী তাসলিমা ইসলাম নোটিস দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেলা চট্টগ্রামের সমন্বয়ক মুনীরা পারভীন রুবা।
নোটিসে শিল্প, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তিন সচিবসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের রায় ও নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিবাদীদের মধ্যে ফেরদৌস স্টিলের মালিক ফেরদৌস ওয়াহিদ এবং বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্সের সভাপতি মহসীন চৌধুরীও রয়েছেন। তিন দিনের মধ্যে নেওয়া পদক্ষেপ জানাতে বলা হয়েছে।
বেলা অভিযোগ করেছে, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইয়ার্ডটি কালো তালিকাভুক্ত দেশ থেকে জাহাজ আমদানি করেছে এবং সরকারি তদারকির ঘাটতি ছিল। সংস্থাটি বলেছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে একই ইয়ার্ডে অন্তত ছয়বার অনুরূপ গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটে। ২০১০ থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সব মৃত্যুর স্বাধীন তদন্ত, প্রতিবেদন প্রকাশ, ইয়ার্ড বন্ধ ও অনুমোদন-লাইসেন্স বাতিলসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে বেলা।