২০২৪ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নিহত ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামের পরিবার দীর্ঘ শোক কাটিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে। জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় শহীদ হিসেবে পরিচিত ওয়াসিম মুরাদপুর ফ্লাইওভারের নিচে সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে নিহত হন। কক্সবাজারের পেকুয়ার মুরারপাড়ার এই পরিবার সরকারি ও রাজনৈতিক সহায়তায় আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করে তার বড় ভাইয়ের চাকরির আশ্বাস দিয়েছেন।
পরিবারটি প্রায় ৩০ লাখ টাকার সহায়তা পেয়েছে, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রও রয়েছে। তারা প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন এবং বাড়ির পাশে রাস্তা ও মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ওয়াসিমের বাবা জানান, এই ভাতা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন, তাই তিনি কক্সবাজার সৈকতে ব্যবসার অনুমোদনের আবেদন করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি এখন আর তাদের খোঁজ নেয় না।
ওয়াসিমের পরিবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে এবং জুলাই বিপ্লবের মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।