জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর চিকিৎসাসেবার দায়িত্ব বর্তমানে একমাত্র উপ-প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মিতা শবনমের ওপর। ২৫ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন নতুন চিকিৎসক নিয়োগ না হওয়ায় মেডিকেল সেন্টারে সংকট তীব্র হয়েছে। সীমিত ওষুধ, জনবল ঘাটতি এবং একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্সের কারণে শিক্ষার্থীরা সেবা নিতে ভোগান্তিতে পড়ছেন।
মেডিকেল সেন্টারে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থী চিকিৎসা নেন। ডা. শবনমের সঙ্গে দুজন টেকনিক্যাল অফিসার, একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও দুজন এমএলএসএস রয়েছেন। আগে দুজন চিকিৎসক থাকলেও একজন চলে যাওয়ার পর নতুন কেউ নিয়োগ পাননি। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ অপেক্ষা, ওষুধের অভাব, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সীমাবদ্ধতা এবং বিকাল ৪টার পর কেন্দ্র বন্ধ থাকার অভিযোগ করেছেন।
ডা. শবনম বলেন, প্রায় ৪০ ধরনের ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী দিয়ে প্রাথমিক সেবা দেওয়া হয়, আর গুরুতর রোগীদের বাইরের হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন পদের অনুমোদনের জন্য ইউজিসিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। জকসু আধুনিক মেডিকেল ল্যাব ও নতুন অ্যাম্বুলেন্সের উদ্যোগের কথা বললেও জায়গা ও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথা জানিয়েছে।