২০২৬ সালের ৯ মে প্রকাশিত ‘আমার দেশ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হাতে ৩৬১ জন শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে আরবি বিভাগের ছাত্র মনির উদ্দিন ও দুর্যোগ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র এহসান রফিক গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে ‘গেস্টরুম’ বা ‘টর্চার সেল’-এ এসব নির্যাতন চালানো হতো এবং পরে ভুক্তভোগীদের হাসপাতালে না নিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হতো।
বিচার ফাউন্ডেশন, ক্যাম্পাস নিপীড়ন-প্রতিরোধ সমাজ ও স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট টর্চার (স্যাট)-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনায় দুই হাজারের বেশি ছাত্রলীগ নেতা জড়িত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, বিচার না পেয়ে তারা এখনো দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, আর অনেক নির্যাতনকারী সরকারি ও প্রশাসনিক পদে রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মামলা নিতে অনীহা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগও উঠে এসেছে।
ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, প্রশাসন এসব ঘটনার বিষয়ে অবগত এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করতে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।