যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যে ইরান বিভিন্ন মুসলিম দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। ২ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপ করেছেন। আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও আরও উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি উঠে আসে।
তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। আরাগচি সতর্ক করেন, ইরানের সার্বভৌমত্ব বা জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হামলা হলে কঠোর ও সুনির্দিষ্ট জবাব দেওয়া হবে। সংসদ সদস্য ইবরাহিম রেজাই বলেন, হামলার জবাব শুধু পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সীমিত থাকবে না; শত্রুর ঘাঁটি বা হামলার উৎস যেখানেই থাকবে, সেখানে পাল্টা আঘাত করা হবে।
এসব হুঁশিয়ারির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে দ্রুত চুক্তিতে পৌঁছানোর শর্তে সম্ভাব্য সামরিক হামলা বাতিল করা হয়েছে। এর আগে মার্কিন গণমাধ্যম চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ইরানে বড় হামলার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছে।