পারিবারিক চাপে বিচ্ছেদের কয়েক সপ্তাহ পর সাবেক স্বামী-স্ত্রী মো. সাকিব মিয়া (২৩) ও মুক্তা আক্তারের (১৯) মরদেহ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুরে মুক্তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার সকালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার গাগলাজুর ইউনিয়নের আটবাড়ি গ্রামে সাকিবের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দিনমজুর সাকিব প্রায় তিন মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে মামাতো বোন মুক্তাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সাকিবের প্রথম স্ত্রী ও আড়াই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে; প্রথম স্ত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর পরিবারে তীব্র অসন্তোষ ও কলহ শুরু হয়। পরে পারিবারিক চাপে সাকিব মুক্তাকে তালাক দেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বিচ্ছেদের পর মুক্তা শ্রীপুরে বাবার বাড়িতে চলে যান এবং নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁর বাবা পুলিশকে না জানিয়ে মরদেহ মোহনগঞ্জের ফাগুয়া গ্রামে নিয়ে আসেন। দাফনের প্রস্তুতির সময় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। সাকিবের মৃত্যুর সময় সোমবার মধ্যরাত বলে পুলিশের ধারণা। দুটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং পৃথক অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
Related Videos
No data found yet!
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।