ময়মনসিংহের ভালুকা মাদক পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সড়ক, নদীপথ ও পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন স্পট দিয়ে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল ও মদ আসছে বলে দাবি করা হয়। মাদকের সহজলভ্যতায় কিশোর-তরুণ, শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা পরিবার ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাচারে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার এবং নারী, ছদ্মবেশী ভিক্ষুক ও টোকাইসহ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী ব্যবহার করা হয়। মৎস্য খামারের পাহারাদারের ঘর, নির্জন গ্রামীণ এলাকা ও নির্মাণাধীন ভবনে মাদক সেবনের কথা বলা হয়েছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, পরিবারের একজন সদস্য মাদকাসক্ত হলে ঘরে অশান্তি নেমে আসে এবং সন্তানদের রক্ষা করতে তারা আতঙ্কিত।
ভালুকা মডেল থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে দিনরাত অভিযান চলছে। গত পাঁচ মাসে ৬১টি মাদক মামলা হয়েছে, ৪৬০ জন কথিত কারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। প্রায় ৯ কোটি ৩২ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার হয়েছে বলেও তিনি জানান। তাঁর ভাষ্য, পুলিশ জিরো টলারেন্সে কাজ করলেও মূল হোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।