খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কার মধ্যে শুক্রবার বাংলাদেশে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হচ্ছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এফএওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’। রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মিলনায়তনে সকাল ৯টায় মূল আলোচনা সভা ও সেমিনার হওয়ার কথা রয়েছে।
বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশ চাল, মাছ, সবজি ও ধান উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ সারির দেশগুলোর অবস্থান ধরে রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কৃষিজমি কমে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা, জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি খাদ্য নিরাপত্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম নকল ও নিম্নমানের বীজ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে নিরাপদ খাদ্য নিয়েও উদ্বেগ জানান।
এফএওর হিসাবে, প্রায় সাত লাখ ৮৭ হাজার মানুষ জরুরি পরিস্থিতি বা আইপিসি ফেজ-৪ এ পড়তে পারেন। বিশেষজ্ঞরা জলবায়ু-সহনশীল, উচ্চফলনশীল ও পুষ্টিকর ফসলের জাত উদ্ভাবনে গবেষণা, কৃষকের ন্যায্য মূল্য এবং সাশ্রয়ী খাদ্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন। দেশজুড়ে কৃষক সমাবেশ, র্যালি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছে।