Web Analytics
অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দেওয়া হলেও মোট অভিবাসন ব্যয়, বিভিন্ন ফি ও অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। ১৫ অক্টোবরের ঘোষণার পর বিভিন্ন এজেন্সি ও মধ্যস্বত্বভোগী সম্ভাব্য কর্মীদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করছে এবং সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলছে। বুধবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম শুরুর ঘোষণাও এসেছে, তবে চূড়ান্ত ব্যয় নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

মন্ত্রণালয় বলছে, আগের সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার অভিবাসন ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল না এবং নতুন ব্যয় নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় আছে। ২০২২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত নির্ধারিত সীমা থাকলেও কর্মীরা বাস্তবে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা ব্যয় করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, মালয়েশিয়ায় নিয়োগকর্তার চাহিদাপত্র সংগ্রহের খরচ দুই-তিন হাজার রিঙ্গিত থেকে বেড়ে আট-দশ হাজার রিঙ্গিত হয়েছে; কোনো হিসাবে তা ১০ থেকে ১২ হাজার রিঙ্গিত।

মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ বোয়েসেল, ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিসহ ৩৩৮টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠাতে আনুমানিক এক লাখ ৫৫ হাজার থেকে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা লাগতে পারে। বেসরকারি এজেন্সির ব্যয় আলোচনা ও হিসাব-নিকাশের পর নির্ধারণ করা হবে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।