মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল চৌধুরী আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে আয়নাঘর বা যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেলে গুম ও নির্যাতনের মামলায় চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর তিন সদস্যের প্যানেলের সামনে তিনি বলেন, ভারত ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে তাকে গুম করে নির্মম নির্যাতন করা হয়েছিল।
জবানবন্দিতে ইকবাল জানান, তাকে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয় এবং পায়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা ও ফেসবুকে সরকারের সমালোচনার কারণ জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, তাকে এক বছর ধরে আটক রাখা হয়েছিল এবং একটি উঁচু দেয়ালঘেরা কক্ষে বন্দি অবস্থায় ট্রেন ও বিমানের শব্দ শুনতে পেতেন। সেখানে তিনি লে. কর্নেল হাসিনুর রহমানকে দেখেছিলেন।
ইকবাল জানান, ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল তাকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং পরে জানতে পারেন যে স্থানটি ডিজিএফআইয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন জেআইসি বা আয়নাঘর ছিল। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তাকে দায়ী করে তাদের বিচার দাবি করেন।