নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে উপাচার্যের কক্ষের তালা কেটে দরজা খোলা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট জানান, বহিরাগত কেউ কক্ষটিতে তালা ঝুলিয়েছিল। তালা খোলার পর কক্ষটি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং তিনি সেখান থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন। ম্যাজিস্ট্রেটের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল।
এর আগে বিএনপির নেতাকর্মীরা উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে উপশহরের বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। এ সময় মহানগর বিএনপির সহসভাপতি জয়নাল আবেদিন শিবলীসহ স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় উপাচার্যকে সসম্মানে আনা হয়েছে এবং দখল বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত কারও বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার উপাচার্যকে ঘেরাও করে একটি কাগজে জোর করে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ ওঠে। উপাচার্যের ভাষ্য, কাগজটি পড়তে না দিয়ে লাঞ্ছনার আশঙ্কায় তাঁকে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ বলেছে, ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।