সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর সোমবার ইরান সরকার কঠোর অবস্থান নেয় এবং দেশজুড়ে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান চালায়। একই সঙ্গে তেহরান পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ইঙ্গিত দেয়। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অভিযানে প্রধান সংস্কারপন্থি জোটের মুখপাত্র জাভাদ ইমামসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে আটক করা হয়েছে।
এই গ্রেপ্তারের সময় ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক চলছিল, যা উভয় পক্ষই ‘ইতিবাচক’ বলে উল্লেখ করেছে। এর আগে শনিবার নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদির কারাদণ্ড বাড়ানো হয় এবং সোমবার গ্রেপ্তার করা হয় বিরোধী নেতা মেহদি কারুবির ছেলে হোসেইন কারুবিকে। ইরান সরকার বিক্ষোভগুলোকে ‘দাঙ্গা’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেছে, এর পেছনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি রয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর বর্তমান পরিস্থিতিকে সরকারের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেহরান এখন একদিকে বিরোধীদের দমন করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কূটনৈতিক উদ্যোগের পথ খুঁজছে।