বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও মানসম্মত করতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, সরকার মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাত সন্তোষজনক হলেও গ্রাম ও শহরের শিক্ষার মানে বৈষম্য রয়েছে, কারণ অনেক শিক্ষক শহরে থাকতে চান।
এই সমস্যা সমাধানে শিক্ষকদের চাকরিজীবনে কিছু সময় গ্রামে বাধ্যতামূলকভাবে কাজ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দূরবর্তী এলাকায় প্যারা শিক্ষক নিয়োগের চিন্তাভাবনাও চলছে। সরকার নৈতিক শিক্ষা, জীবনব্যাপী শিক্ষা এবং শিক্ষক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য গবেষণাভিত্তিক বই প্রকাশ করেছে। ৬৫ হাজারের বেশি স্কুলে প্রজেক্টরসহ প্রযুক্তি সরবরাহ করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পায়।
হোসেন জানান, গত দেড় বছরে মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান হার ৩২ শতাংশ থেকে প্রায় ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এ বছর ৭০ শতাংশ এবং আগামী বছরে ৯০ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনবে।