পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর ও দক্ষিণ চরপাড়া গ্রামে বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি রিয়াজ সিকদারের বিরুদ্ধে। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীরা জানান, অর্ধশতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে জনপ্রতি ২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। দুই গ্রামের শতাধিক পরিবার এখনো বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারের মাধ্যমে এলাকায় খুঁটি স্থাপনের কাজ শুরু করে। অভিযোগকারীরা বলেন, খুঁটি পরিবহন ও স্থাপনের খরচের কথা বলে টাকা নেওয়া হয়েছে এবং মিটার সংযোগের জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে আরও ২ হাজার টাকা দিতে বলা হয়েছে। অনেক পরিবার নাকফুল বন্ধক রেখে, কৃষিঋণের অগ্রিম থেকে বা সংসার খরচ কমিয়ে টাকা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়।
রিয়াজ সিকদার অর্থ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করলেও শ্রমিকদের খাবারের জন্য কিছু টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। সাব-ঠিকাদার সুমন বলেন, রিয়াজের মাধ্যমে নেওয়া টাকা গ্রাহকদের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলমান কাজে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই এবং অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।