মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন তিন ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার দ্বিগুণ হলেও জ্বালানির অভাবে তা পূর্ণভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে এবং সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়েছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গ্যাস সরবরাহ ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে এলে উৎপাদন ৪,৫০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে। এপ্রিল-মে মাসে সর্বোচ্চ চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৮,৫০০ মেগাওয়াট, যেখানে উৎপাদন হতে পারে ১৬,২০০ মেগাওয়াট। সাম্প্রতিক এক সরকারি ছুটির দিনে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪,৩৫০ মেগাওয়াট এবং রাতে লোডশেডিং পৌঁছায় ১,০০০ মেগাওয়াটে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এপ্রিলে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এবং তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়াতে পারে।