শনিবার সারা দেশে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ, র্যালি, আলোচনা সভা, দেশাত্মবোধক গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রংপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, মুন্সীগঞ্জ, নীলফামারী, নওগাঁ, পাবনা, ভোলা ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রশাসন, বিএনপি, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য সংগঠন কর্মসূচি পালন করে।
রংপুরে মহানগর বিএনপির র্যালি গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয় থেকে জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়; জেলা বিএনপিও পৃথক র্যালি করে। চট্টগ্রামে বিপ্লব উদ্যানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখানে জেলা প্রশাসনের কর্মসূচিতে র্যালি, আলোচনা, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল।
বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বক্তারা ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, অধিকার ও দেশের স্বার্থে কাজের আহ্বান জানান। কয়েকটি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, র্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পণ, নীরবতা পালন এবং বিশেষ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। দৌলতখানে বিএনপি এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে র্যালি ও সমাবেশ করে।