রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরে বিয়ে না করার অভিযোগ করেছিলেন এক বিধবা নারী। মো. নাছিমা খাতুন ১৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, লিগ্যাল সেল ও সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তবে তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর অভিযোগটি প্রত্যাহার করেন।
প্রাথমিক অভিযোগে নাছিমা খাতুন বলেন, প্রায় এক বছর ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে। সাংবাদিকদের তিনি জানান, অধ্যাপক তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, বিদেশে থাকা স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে তার পাঁচ বছর ধরে কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের কথা বললে একদিন তাকে থাপ্পড় মারা হয়। তার দাবি, পাঁচজন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিয়ে হলেও কাবিন রেজিস্ট্রির সময় অধ্যাপক স্বাক্ষর না করে চলে যান।
প্রত্যাহারপত্রে নাছিমা খাতুন অভিযোগটিকে ব্যক্তিগত ঝামেলা ও অন্যদের প্ররোচনার ফল বলে উল্লেখ করে অধ্যাপককে নির্দোষ বলেন। এক সাবেক শিক্ষার্থী জানান, পাঁচজনের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে হয়েছিল এবং সমস্যার সমাধান হয়েছে। অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ফোনে ব্যস্ত থাকার কথা বলে কল কেটে দেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় অভিযোগটি পেয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।