ইরানের হামলায় ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলের ডিমোনা ও আরাদ শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ফলে এক হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। ২১ মার্চ রাতে চালানো এই হামলার পর সরকার ইতোমধ্যে ১০ হাজারের বেশি ক্ষতিপূরণের দাবি পেয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার ২৩তম দিনে সংঘটিত হয়, যার জবাবে ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করছে।
অব্যাহত সাইরেনের শব্দে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে, অনেককে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র বা সেফ রুমের কাছাকাছি অবস্থান করতে হচ্ছে। ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের জন্য এই সুরক্ষা সুবিধা প্রায় অনুপস্থিত, যা বাস্তবতাকে আরও কঠিন করে তুলেছে। জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের পরিদর্শনের সময় এক বাসিন্দার ক্ষোভ প্রকাশ জনমতের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি জনগণের আস্থা কমে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।