চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনি প্রচারকালে কথিত ককটেল বিস্ফোরণের কোনো প্রমাণ পায়নি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শেষে সেনাবাহিনী জানায়, যে শব্দটিকে ককটেল বিস্ফোরণ বলা হয়েছিল, সেটি আসলে স্বল্পমাত্রার আতশবাজি বা ‘চকলেট বাজি’র শব্দ। বোয়ালখালী সেনাক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মো. রাসেল জানান, ঘটনাস্থলে কোনো বিস্ফোরক আলামত বা ‘আফটার শক’ পাওয়া যায়নি।
চারটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, প্রচারণার সময় খুবই স্বল্প তীব্রতার একটি শব্দ হয়, যা ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তদন্তে দেখা যায়, এক ব্যক্তির গতিবিধি কিছুটা সন্দেহজনক হলেও বিএনপি বা জামায়াতের কেউ তাকে শনাক্ত করতে পারেননি। সেনাবাহিনীর তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তাদের কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। বিএনপির অভিযোগে অভিযুক্ত জামায়াত কর্মীকেও নির্দোষ প্রমাণিত করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে, যা চট্টগ্রাম-৮ আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। সেনাবাহিনীর তদন্তে বিষয়টি ‘বিস্ফোরণ’ নয়, বরং ‘ভুল বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তি’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।