প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সতর্ক করেছেন, অমীমাংসিত রোহিঙ্গা সংকট পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে। বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইড ইভেন্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশ নয় বছরের বেশি সময় ধরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ বেড়েছে।
বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, সংশ্লিষ্ট দেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা মানবপাচার, অবৈধ অভিবাসী পাচার, মাদকপাচার ও অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বাংলাদেশ খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি প্রায় ৬ হাজার লার্নিং সেন্টারে মিয়ানমারের পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষা এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তবে শিবির দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের উপযুক্ত নয়।
তিনি বলেন, সংকটের উৎপত্তি ও সমাধান উভয়ই মিয়ানমারে। রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। তিনি প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ, সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় জোরালো সহযোগিতার পাঁচ দফা প্রস্তাব দেন। প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি হলে বাংলাদেশ প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।