Web Analytics
ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে ২৩ জুলাই মামলার বাদীপক্ষ ও বিশ্বাস পোল্ট্রি অ্যান্ড ফিস ফিডস লিমিটেড ভুক্তভোগী মামুন মিয়ার কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা সতো ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে আপস-মীমাংসার নথি দাখিল করলে আদালত তা গ্রহণ করেন। ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পর মামুন খোদ অভিযোগ প্রত্যাহার করেন।

২০১৯ সালের ১৮ জুন একটি ৩২ লাখ টাকার চেক ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ উল্লেখ করে ডিজঅনার হয় এবং ২৫ আগস্ট ২০১৯ মামলাটি নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়ের করা হয়। ২০২১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন করেন এবং ২০২৫ সালের ২৯ জুন এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড থাকে। ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারের পর মামুন দাবি করেন তিনি প্রকৃত অভিযুক্ত নন এবং তদন্তে স্পষ্ট হয় যে নামের মিলের কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

তদন্তকারী এসআই মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের রিপোর্টে দেখা যায় মামুন প্রকৃত আসামি নন, ফলে আদালত ১৯ মে মামুনকে মামলাট থেকে অব্যাহতি দেন ও ২০ মে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। অভিযোগ অনুসন্ধানের পর ভুক্তভোগী তার অন্যায় কারাভোগের ব্যাপারে ক্ষতিপূরণ ও শাস্তি চেয়ে আদালতে অভিযোগ করেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাদীপক্ষ নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ৩০ লাখ টাকা প্রদান করে ও সংশ্লিষ্টদের সাময়িক অব্যাহতি এবং প্রতিশ্রুতি দেয়, যার ভিত্তিতে আদালত আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করেন।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।