তিব্বতের ইয়ারলুং সাংপো নদীর ওপর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন। নদীটি ভারতের অরুণাচল ও আসাম অতিক্রম করে যমুনা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ইয়ারলুং সাংপো নদী ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসামে ব্রহ্মপুত্র নদী হিসেবে প্রবাহিত হওয়ার পর যমুনা নদী নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
চীনের ভূতাত্ত্বিকদের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁধ প্রকল্পের নিচে একটি সক্রিয় ফল্ট লাইন রয়েছে, যা ভবিষ্যতে বাঁধের কাঠামোর জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
চায়না জিওলজিক্যাল সার্ভের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পাইজেন ফল্টটি প্রকল্পের জলাধার এলাকার মাঝ দিয়ে গেছে এবং এটি প্লিস্টোসিন যুগ থেকে সক্রিয়। গবেষকরা জানান, ফল্টটি পার্শ্ববর্তী শিলাস্তরে ফাটল ধরিয়ে বাঁধের ভিত্তি দুর্বল করতে পারে। এছাড়া পাহাড়ি ঢালও অস্থিতিশীল, ফলে ভূমিকম্প বা দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকার কারণে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।
গবেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন, নির্মাণকাজে পাহাড়ের ঢাল শক্তিশালী করা, প্রতিরোধক দেয়াল নির্মাণ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো যেতে পারে।