গ্রেপ্তারের একদিন পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলমের মৃত্যুর পর তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। পুলিশ আদালতে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে উপস্থাপন করলেও তার পরিবার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। পুলিশের ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদনে তাকে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতা আন্দোলনের সময় সংঘটিত হামলা ও বিস্ফোরক আইনের মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নুরুল আলমের বড় ভাই নূর মোহাম্মদ জানান, তার ভাই কখনো যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং বরং বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষের প্রভাবে তার ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মৃত্যুর ঘটনাটিকে তিনি রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও এ বিষয়ে ভিন্নমত দেখা গেছে—কেউ তাকে আওয়ামী লীগ ঘরানার, আবার কেউ বিএনপি ঘরানার বলে দাবি করছেন।
নুরুল আলমের মৃত্যু ও তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে ঘটনাটি জটিল আকার ধারণ করেছে। প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের জন্য তদন্তের ফলাফলের ওপরই এখন নির্ভর করছে সব প্রশ্নের উত্তর।