প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম মালয়েশিয়া ও চীন সফর ভারতের গণমাধ্যম ও সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে চীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে এবং যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের প্রতিশ্রুতি দেয়। সফরে তিস্তা ব্যারাজ, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডোর ও সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়, যা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক নতুন দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভারত দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে এবং সংখ্যালঘু ইস্যুকে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সার্বভৌমত্ব ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির ওপর জোর দিচ্ছে। লেখক মনে করেন, আঞ্চলিক হিন্দুত্ববাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির মোকাবিলায় চীন ও পাকিস্তানের মতো মিত্রদের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যে প্রতিহিংসার পরিবর্তে ঐক্য, উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের আহ্বান উঠে এসেছে। এই ইতিবাচক পরিবেশকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য শুভ লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।