মিয়ানমারের সামরিক নেতা মিন অং হ্লাইং ৩০ মে থেকে ৩ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফর করেন, যা ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর। ২০২১ সালের অভ্যুত্থান ও চলমান গৃহযুদ্ধের পরও নয়াদিল্লি তাকে বৈধ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে গ্রহণ করে। বছরের পর বছর কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার পর এই সফর মিন অং হ্লাইংয়ের জন্য বৈধতা অর্জনের সুযোগ এনে দেয়, আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য এটি ছিল সীমান্ত নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থে একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প ও ত্রিমুখী মহাসড়কের মতো উদ্যোগগুলো বাস্তবে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবস্থিত, যেখানে জান্তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে মোদি সরকারের কৌশল কার্যত চীনের ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে, যেখানে সামরিক জান্তাকে একমাত্র বৈধ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং জাতিগত সশস্ত্র সংগঠন ও বিরোধী জাতীয় ঐক্য সরকারের ভূমিকা উপেক্ষা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে বলেছে, ভারতের উচিত জান্তাকে সীমান্তে বিমান হামলা বন্ধে চাপ দেওয়া এবং আরাকান আর্মি ও অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে বাস্তবসম্মত সংলাপ শুরু করা, নইলে বর্তমান নীতি ভারতের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।