খুলনা মহানগরী ও রূপসা উপজেলায় ৩৬ ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক বেড়েছে। সোমবার রূপসার সিংহেরচর এলাকায় নদীর চর থেকে পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করে, যাদের মাথায় গুলির চিহ্ন ছিল। এর আগে রায়েরমহলে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁতীদল নেতা হুমায়ুন কবির নিহত হন। লবণচরা এলাকায় সড়ক থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় যুবক শহীদুল ইসলাম কলিনের লাশও উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, রূপসা থেকে উদ্ধার হওয়া মেহেদী হাসান সোহাগ সন্ত্রাসী গ্রুপ বি কোম্পানির সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং রেজাউল করিমের বিস্তারিত পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। হুমায়ুন কবির হত্যার ঘটনায় তাঁর ছেলে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন; পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কলিন হত্যার ঘটনাতেও তাঁর বাবা চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে খুলনা মহানগর ও জেলায় ৭৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্ধারিত খুলনা সফরের আগে পুলিশ টহল জোরদার করেছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ বহু হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ।