কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গবাদিপশুর মধ্যে খুরা ও লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, এতে খামারি ও গরু পালনকারীরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। গত দুই সপ্তাহে সদর, উলিপুর ও রাজারহাট উপজেলায় খুরা রোগে ১২টি এবং লাম্পিতে আক্রান্ত হয়ে দুটি গরু মারা গেছে। শত শত গরু আক্রান্ত হয়েছে বলে প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে। আক্রান্ত এলাকায় মাঠপর্যায়ে চিকিৎসা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে বিভাগটি।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা আক্রান্ত গরুর যত্ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছর খামারিরা গরু পালন করেন, কিন্তু এবার রোগের প্রাদুর্ভাব তাদের বড় ক্ষতির মুখে ফেলেছে। আক্রান্ত গরু হাটে তোলা নিষিদ্ধ থাকায় এবং সুস্থ হওয়া গরুর স্বাস্থ্যহানি হওয়ায় দাম কম পাচ্ছেন তারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর জেলায় ১ লাখ ১৬ হাজার গরু ও ১ লাখ ৮০ হাজার ছাগল-ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে বিভাগটি জানিয়েছে, রোগের প্রাদুর্ভাব সত্ত্বেও ঈদের বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না এবং তারা বাজারগুলো নিয়মিত মনিটরিং করছে।